Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

ন্যাশনালএগ্রিকালচারালটেকনোলজিপ্রজেক্ট(এনএটিপি)

বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্প। সার্বিক প্রাণিসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি উৎপাদন ব্যয় হ্রাস ও কৃষকের মুনাফা বৃদ্ধিসহআর্থ সামাজিক উন্নয়নই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামে গঞ্জে খামারী সংগঠন(সিআইজি)গঠন করে তাদের অংশগ্রহনের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক প্রাণিসম্পদের উৎপাদন সমস্যা নিরুপন করে তার আলোকে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তি সমপ্রসারন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গব্‌দিপ্রাণি ও হাঁস-মুরগির রোগ প্রতিরোধে সেপ্র কার্যক্রম কর্মসুচিঃ-      পোল্টি ও ডেয়রি শিল্পের উনয়ন্নের  অন্যতম নিয়ামক হল জীব নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। যে সকল পদ্ধতি Aej¤^bকরে অনাকাঙ্খিত রোগজীবানুর  সংক্রম রোধ করা যায়, যা জৈব নিরাপত্তা বা বায়োসিকিউরিটি।বায়োসিকিউরিটি নিশ্চিত করে পোল্ট্রি ও ডেয়রি খামার  বাস্তবায়ন করনেরোগজনিত  ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে  আনা সম্ভব। ফলে খামারিগণ প্র্রাণিসম্পদউন্নয়নের মাধ্যমে আরো অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হবেন। গবাদিপ্রাণি ওহাঁসমুরগির রোগ প্রতিরোধে সেপ্র কার্যক্রম কর্মসুচি মূলতঃ জীব নিরাপত্তানিশ্চিতকরনের মাধ্যমে রোগ সংক্রম প্রতিরোধে একটি শক্তিশালী কর্মসুচী।

‘‘ষ্ট্রেংদেনিং অফ সাপোর্ট সার্ভিসেস ফর কমব্যাটিং এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (HPAI ) ইন বাংলাদেশ’’(এস.এস.সি.এ.আই.বি)    

           প্রশিক্ষনের মাধ্যমে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগ প্রতিরোধে সচেতনা সৃষ্টি এবং মুরগি পালন ও রোগ প্রতিরোধে দক্ষতা বৃদ্ধি করাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। মুরগি, মুরগি খাদ্য ও ঘর মেরামতের টাকা দিয়ে পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করা ও মুরগি পালনের উৎসাহী করা এবং মাংস ও ডিম উৎপাদনের মাধ্যমে প্রাণিজ আমিষের যোগান বাড়ানোর  মাধ্যমে আত্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি,দারিদ্রতা হ্রাস ও আর্থসামাজিক উন্নতি করার পাশাপাশি’’ একটি বাড়ী একটি খামার” কর্মসুচী বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান করা ও এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রিপেয়ার্ডনেস এন্ড রেসপন্স প্রজেক্ট

উপজেলায়৩ জন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ওয়ার্কার নিয়োজিত আছে। উপজেলায় নিয়োজিত কর্মিদেরকাজের তদারকি করেন  ১ জন এ.ভি.এস। তাহারা নিম্নোক্ত কাজ সমূহ সম্পন্ন করেন।

           ১।    নির্ধারিত উপজেলায় একটিভ সার্ভিলেন্স কার্যক্রম পরিচালনা করা।

           ২।    এ.আই ওয়ার্কারস্, খামারী এবং অন্যান্য  সূত্র  থেকে  HPAI সন্দেহকৃত  প্রাপ্ত  তথ্য পর্যালোচনা  পূর্বক   সন্দেহকৃত  খামার/পারিবারিকভাবে  পালিত  হাঁস   মুরগীর  নমূনা  সংগ্রহপূর্বক  জরুরী  ভিত্তিতে  নিকটস্থ   জেলা  ভেটেরিনারিহাসপাতাল / এফ.ডি.আই.এল /  সি.ডি.আই.এল-এ উপজেলা/ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে  প্রেরণ।

         ৩।   সার্ভিলেন্স  কার্যক্রমের সকল প্রতিবেদন ডি.এল.ও এর মাধ্যমে সহকারী পরিচালক, ইপিডিমিওলজি ইউনিট, ডি.এল.এস    এ প্রেরণ।

           ৪।   পোল্ট্রি ফার্ম পরিদর্শন ও পারিবারিক খামার পরিদর্শন,খামারীদের মধ্যে জীব নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি।

           ৫।   নির্ধারিত জেলা / উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে একটিভ সার্ভিলেন্স নেটওয়ার্ক প্রোগ্রাম এর আওতায় যে   কোন প্রকার দায়িত্ব পালন।

           ৬।   বিভাগীয় প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ।